এবার মমতা ব্যানার্জী ও তার সরকার সম্পর্কিত বড়ো পর্দাফাঁস করলেন BSF ডিরেক্টর জেনারেল।

 

এবার মমতা ব্যানার্জী ও তার সরকার সম্পর্কিত বড়ো পর্দাফাঁস করলেন BSF ডিরেক্টর জেনারেল।

 

 Hindus.news

এবার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া এবং তাদের সহযোগীতা করার জন্য বিএসএফ-এর ডিরেক্টর জেনারেল কে কে শর্মা পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে সরাসরি কটাক্ষ করলেন। তিনি এই দিন বললেন যে, আমরা পুরো পরিস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক রয়েছি। ইতিমধ্যে অনেক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে জড়ো হয়ে রয়েছে। তারা ক্রমাগত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন যাতে তারা ছোটো ছোটো দলে ভাগ হয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করতে পারে। তবে তাদের সেই প্রচেষ্টা আমরা সফল হতে দিই নি। ভারতবর্ষে খুব একটা রোহিঙ্গা প্রবেশ করতে পারেনি। যারাই প্রবেশ করার চেষ্টা করেছিল আমাদের সীমান্তরক্ষিবাহিনী তাদের সেই চেষ্টা সফল হতে দেয় নি। এতে আমি খুবই খুশি হয়েছি। তিনি বলেন ইতিমধ্যে দেশের যেসকল জায়গাতে তারা বসবাস শুরু করে দিয়েছে, সেখানে তারা খুব একটা শান্তিতে নেই তাদের উপর ক্রমাগত চাপ সৃস্টি করা হচ্ছে সেখানকার সরকারের তরফে।

 

তাই তারা বাধ্য হয়ে পশ্চিমবঙ্গে চলে আসছে কারন তারা এখানে স্বাধীনতা পাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাদের প্রতি দিনের পর দিন দরদী হয়ে উঠছে। তাদের কে বিভিন্নভাবে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে। বিএসএফ-এর ডিজি এইদিন আরও জানিয়েছেন যে, বি.এস.এফ জাওয়ানরা রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ করতে দেয় নি। ফলে তারা এখনও পর্যন্ত এখানে ঢুকতে পারে নি। ভারতের অন্যান্য নিরাপত্তারক্ষীরাও এমনই জানিয়েছেন।

 

পশ্চিমবঙ্গে যেসমস্ত রোহিঙ্গারা রয়েছে তাদের কেউ বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ করে এই রাজ্যে আসেনি। তারা অন্যরাজ্য থেকে বিতাড়িত হয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছে এবং এখানে আশ্রয় নিয়েছেন। তার কারন হল পশ্চিমবঙ্গে তাদের উপর চাপ সৃস্টি করা হচ্ছে না। তারা এখানে স্বাধীন ভাবে থাকতে পারছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে ৭০ টি রোহিঙ্গা পরিবারের জন্য শিবির করা হয়েছে। তিনি বলেন যে এই বিষয়ে আমরা তদন্ত শুরু করেছি।

 

মহম্মদ শফিনুল ইসলাম যিনি বর্ডার গার্ডস বাংলাদেশের মেজর জেনারেল তিনি বলেছেন যে, বিজিবি ও তাদের সহ নিরাপত্তা সংস্থাগুলি কড়া নজরদারি চালাচ্ছেন যেসকল রোহিঙ্গারা ‘বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তে রয়েছে তারা যাতে সেখানেই থাকে, কোনো পরিস্থিতিতেই তারা যাতে অন্যত্র যেতে না পারে। তিনি আরও বলেন যে, আমাদের নিরাপত্তা সংস্থাগুলি খুব সতর্ক আছে যাতে তারা শিবির ছেড়ে অন্য কোথাও না যেতে পারে, যদি কেউ চলেও যায় তাকে পুনরায় সেখানে ফিরিয়ে আনা হবে বলেও তিনি জানান।

 

 

 

Related posts:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *