এ বছরের সবচেয়ে নির্মম হত্যাকাণ্ড তাও আবার পশ্চিমবঙ্গে ! মানুষ কি আসলেই জানোয়ার হয়ে গেলো।

 এ বছরের সবচেয়ে নির্মম হত্যাকাণ্ড তাও আবার পশ্চিমবঙ্গে ! মানুষ কি আসলেই জানোয়ার হয়ে গেলো।

 

ঘটনার সময় একজন পুলিশেরও উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে তবে কি এই পুলিশ ও এই হত্যা কান্ডে জড়িত। 

একজন শিল্পী (সুকান্ত চক্রবতী) আমার জ্ঞানে প্রকৃত মানুষ, সেই মানুষের উপর এমন বর্বর আক্রমণ ।

 

আজ_মানবতার_সমাপ্তি_টেনে_আনলো!
আমার মনে হয়না, একজন সুস্থ মানুষ ভিডিওটা দ্বিতীয়বার দেখতে পারবে।

এমনকি আপনার কঠিন হৃদয়টাও ডুকরিয়ে ডুকরিয়ে কাঁদতে পারে!

মানবতার এই অবক্ষয় প্রতিরোধ করতে স্ব স্ব স্থান থেকে জোড়ালো প্রতিবাদে অংশ নিন।
যদি পারেন বা ঘটনা স্থলের আশপাশের হয়ে থাকেন তবে, ঘটনা স্থলের আক্রমনকারীদের চিহ্নিত করে তাদের উপর আক্রমণ চালিয়ে অমানবিক পদক্ষেপের মাধ্যমে মানবতা রক্ষা করুণ।
সবচেয়ে অবাক করার বিষয়, ঘটনার সময় একজন পুলিশেরও উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে!
ঘটনাটি ত্রিপুরা, ভারতের!

৫/৭/২০১৮ইং- মুফতি মাসুদ এর ওয়াল থেকে সংগ্রহ ,
“নাম- সুকান্ত চক্রবর্তী।
পেশায়- তবলা শিক্ষক।
সাব্রুমের সুর ছন্দ নৃত্য সংস্থা ও নানা সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত ছিলেন।
বিগত কিছু দিন ধরে রাজ্যে যে অপ-প্রচার চলছে যে, রাজ্যে আন্তর্জাতিক কিডনী পাচার চক্র সক্রিয়। সেই কুৎসার বিরুদ্ধে তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের পক্ষ থেকে প্রচারে বের হন। কিন্তু সেখানকার অর্থাৎ কলাছড়া বাজারের কিছু মানুষের চেহারার কিছু জানোয়ার, সুকান্ত কে নৃসংস ভাবে পিটিয়ে মেরে ফেলে হয় ।
আর অবাক করার বিষয় হলো, একটা মানুষ ও বাচাঁনোর জন্য চেষ্টা করলো না। আরো সবাই মোবাইলে ভিডিও রেকর্ডিং করছিলো আর এই হত্যা কাণ্ডের মজা নিচ্ছিলো! মানুষ কতটুকু নিচে নামতে পারে, সমাজ ব্যবস্থায় কতটুকু পচন ধরলে এমনটা হতে পারে?
বাজারের মধ্যে ৫০০-৭০০ মানুষের সামনে একটা নিরপরাধ ছেলেকে পিটিয়ে-পিটিয়ে হত্যা করা হলো। আইন নিজের হাতে তুলে নিলো এলাকার একজন মানুষও বাধা দিল না!
সুকান্ত নামের নির্যাতিতার  ৫ মাসের একটা কন্যা সন্তান আছে। আগামি মাসে অন্নপ্রাশন হওয়ার কথা ছিলো। মা-বাবা নেই, খুব কষ্টের মধ্য দিয়ে বড় হয়ে উঠেছিলো, সুকান্ত বাবু। পেশা গত ভাবে শিল্পী, শিল্পী স্বত্তার মানুষরা এমনি তেই খুব ভদ্র, মার্জিত ব্যবহারের ও মিসুক স্বভাবের হয়। এই রকম একজন ব্যাক্তির সাথে এই ঘটনা দেখে ত্রিপুরাবাসি বাকরুদ্ধ! 
সত্যি আমরা কোন সমাজে বাস করছি। সত্যি বলার ভাষা খুজে পাই না।
তারপর যখন, আবার শুনি যে, হত্যাকারীরা কলাছড়া বাজারে বহাল জনসম্মুর্খে ঘুরে বেড়াচ্ছে, তখন নিজেকে ঠিক রাখা মুশকিল হয়ে দাড়ায় ।
ঘৃনায় ভরে উঠে বুকটা।
তাই, সবার প্রতি অনুরোধ এই বার্তাটি সবার কাছে, শেয়ার করুন । যাতে একটা কঠোর জন মত গঠিত হয়

 সরকারের প্রতি চাপ সৃষ্টি হয় এবং যা সরকার বাধ্য হয়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে।
ধিক্কার জানাই এমন ঘৃন্য সন্ত্রাসীদের।