জম্মুকাশ্মীরে সরকার ভাঙার পর কাশ্মীর ঘাঁটি থেকে বেরিয়ে এল আতঙ্কবাদী হামলার রিপোর্ট।

জম্মুকাশ্মীরে সরকার ভাঙার পর কাশ্মীর ঘাঁটি থেকে বেরিয়ে এল আতঙ্কবাদী হামলার রিপোর্ট।

 

 

Hindus.news

জম্মুকাশ্মীরে ক্রমাগত বেড়ে চলা সন্ত্রাসবাদের উপর লক্ষ করেই বিজেপি, মেহবুবা মুফতির সাথে অর্থাৎ পিডিপির সাথে জোট ভেঙেছিল। যার পরে জম্মুকাশ্মীর রাজ্যে সরকার পড়ে যায় এবং রাজ্যপাল শাসন জারি হয়। পিডিপির উপর থেকে সমর্থন তুলে নেওয়ার কারণ হিসেবে বিজেপি জানিয়েছিল সেনা আতঙ্কবাদের বিরুদ্ধে যে অপেরাশন করছে তাতে রাজ্য সরকার সাহায্য করছে না এবং পারথবাজদের উপরেও রাজ্যের প্রশাসনের কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। অমিত শাহ জানিয়েছিলেন মেহবুবা মুফতি জম্মুকাশ্মীরের জম্মু ও লাদাক এলাকা নিয়ে ভেদাভেদ করছে অর্থাৎ কেন্দ্র লাদাক ও জম্মুর জন্য যে টাকা রাজ্যকে দিচ্ছিল তা খরচ হচ্ছিল না। এমনকি সেনার অল আউট অপেরাশন শুরু করতেও বাঁধা দিচ্ছিল মেহবুবা মুফতি। কিন্তু রাজ্যপাল শাসন শুরু হওয়ার সাথে সাথে সেনা একশন শুরু করে এবং আতঙ্কবাদীদের মেরে ফেলতে শুরু করে।

 

আপনি জানলে অবাক হবেন রাজ্যপাল শাসন জারি হওয়ার পর থেকে সেনার হাত খুলে যায় যার কারণে এখন আতঙ্কবাদী ও জিহাদিদের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে। রাজ্যপাল শাসন জারি হওয়ার পর থেকে ঘঁটিতে হওয়া ঘটনা নিয়ে যে রিপোর্ট সামনে এসেছে তা বিরোধীদের হোশ উড়াবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক দ্বারা জারি করা রিপোর্ট অনুযায়ী ১৬ জুন থেকে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে আতঙ্কবাদী আক্রমণ বড় সংখ্যায় কমে গেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী সেনার কাজে যে পাথরবাজরা বাধা প্রদান করতো তাদের উপরেও একশন নেওয়া হচ্ছে।

 

 

রমজানের সিজ ফাইয়ারের সময় আতঙ্কবাদীরা লাগাতার কাশ্মীর ঘাঁটিতে প্রবেশ করছিল কিন্তু এখন ঘাঁটিতে প্রবেশ করার আগে তারা ১০০ বার চিন্তা করছে বলে জানা গিয়েছে কারণ সেনা জওয়ানরা তাদের তৎকাল উপরের টিকিট ধরানোর জন্য তৈরি হয়ে রয়েছে। উল্লেখ মেহবুবা মুফতির সময় ১৬ মে থেকে রমজান শুরু হওয়ার পর আতঙ্কবাদী ঘটনা বেড়েই চলেছিল তাই বিজেপি পিডিপির উপর থেকে সমর্থন তুলেনিয়েছিল।

যার ফলস্বরূপ গত একমাসে ৪৭ টি আতঙ্কবাদী ঘটনা ঘটেছে যেখানে মেহবুবা সময় ১ মাসে ৮০টি আতঙ্কবাদী ঘটনা ঘটেছিল। আসলে এখন আতঙ্কবাদীরা ও পাথরবাজরা জিহাদি মেহবুবা মুফতির সমর্থন পাচ্ছে না এবং একই সাথে সেনার হাত খুলে দেওয়া হয়েছে তাই লাগাতার ঘাটির অবস্থা উন্নতি হচ্ছে। সম্প্রতি কেন্দ্র জম্মুকাশ্মীর থেকে উস্কানিমূলক ৩০ টি টিভি চ্যানেল বন্ধ করেছে এবং হোয়াটআপ গ্রুপের উপর নজরদারি রাখা শুরু করে দিয়েছে যাতে কাশ্মীর ঘাঁটিতে শান্তি শৃঙ্গলা বজায় রাখা যায়।

 

 

Related posts:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *