তৃনমূলের আমলে কিভাবে বাংলায় ভোট, ফাসঁ করলেন মুকুল? 

তৃনমূলের আমলে কিভাবে বাংলায় ভোট, ফাসঁ করলেন মুকুল? 

 

নয়াদিল্লি : রাজ্য নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠুভাবে ভোট করাতে পারে না৷ কমিশনের নিষ্ক্রিয়তার ভোট লুঠ করে নিয়ে যায় শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস৷গত কয়েকটি পুরসভা নির্বাচনে এই অভিযোগ বারবার শোনা গিয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির মুখে৷ এবার সেই প্রসঙ্গ উঠে এল মুকুল রায়ের মুখেও৷

কুশলী রাজনীতিক হিসাবে পরিচিত মুকুল রায় যদিও বিরোধীদের মতো সরাসরি এই অভিযোগ তোলেননি৷বরং কৌশলে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার কথা তুলেছেন৷ জানিয়েছেন, রাজ্য নির্বাচন কমিশন পরিচালিত বেশ কয়েকটি ভোট নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে৷ শুক্রবার নয়াদিল্লির নির্বাচন সদনে তিনি দেখা করতে যান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে৷ সেই বৈঠক সেরে বেরিয়ে এসে তিনি এই মন্তব্য করেন৷ বৃহস্পতিবার মুকুল রায় জানিয়েছিলেন যে, তিনি এদিন নির্বাচনে কমিশনে যাবেন৷ পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন উপ-নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে শেষ করার দাবি জানাবেন৷ শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে একই কথা বলেছেন৷ পশ্চিমবঙ্গে সুষ্ঠু নির্বাচন করানোর দাবি জানিয়েছেন তিনি৷ এ রাজ্যে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন নিয়ন্ত্রিত ভোটই শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে বলেও তিনি এদিন মন্তব্য করেছেন৷

পশ্চিমবঙ্গে বারবার নির্বাচন নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছে৷ বাম আমলে সিপিএমের বিরুদ্ধে রিগিং-এর অভিযোগ উঠত৷ ইদানীং একই অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে৷ গত পঞ্চায়েত ভোট থেকেই এই অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করে৷ গত কয়েকবছরে যে কয়টি পুরসভা ভোট হয়েছে, সেখানেও শাসকদলের বিরুদ্ধে ভোট লুঠের অভিযোগ তুলেছিল বিরোধীরা৷ সূত্রের খবর, এদিন নির্বাচন কমিশনে সেসব বিষয় নিয়েই মূলত আলোচনা করেছেন মুকুল রায়৷তথ্যপ্রমাণও দিয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে৷ সেক্ষেত্রে আগামী লোকসভা ভোটে, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে৷যদিও প্রকাশ্যে এ নিয়ে কারও বক্তব্য মেলেনি৷

এদিকে বৃহস্পতিবার তৃণমূলের সাসপেন্ডেড সাংসদ কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির জন্য হাজতবাস হয়নি বলে মুকুল রায় সোমেন মিত্রকে জানিয়েছিলেন৷ পরে একই কথা জানিয়েছিলেন সোমেন মিত্রও৷ সেই প্রসঙ্গে এদিন মুকুল রায় জানান, যখন তাঁদের দেখা হয়েছিল, তখন তিনি ছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা৷আর অরুণ জেটলি রাজ্যসভার নেতা৷ সেই তাঁরা অনেকবার কথা বলেছেন৷

 

 

 

Related posts:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *