নাসিরনগরে হামলায় আসামিদের অর্ধেক আ. লীগ-বিএনপির। 

নাসিরনগরে হামলায় আসামিদের অর্ধেক আ. লীগ-বিএনপির। 

 

গতকাল সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ফারজানা আহমেদের আদালতে এ অভিযোগপত্র জমা দেন জেলা জজ আদালতের পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান। হামলার ১৩ মাস পর গত রোববার বিকেলে মাহবুবুর রহমানের কাছে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাসিরনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শওকত হোসেন।

অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিদের মধ্যে পাঁচ কিশোরও রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। গত বছর ৩০ অক্টোবর প্রথম হামলা ও এরপর একাধিকবার হামলার ঘটনায় করা ৮ মামলায় প্রায় ৩ হাজার জনকে আসামি করা হয়।

জেলা পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিদের মধ্যে আওয়ামী লীগের ৩০-৩৫ ও বিএনপির ৬০-৭০ জন নেতা-কর্মী রয়েছেন।

নাসিরনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে অভিযোগপত্রে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর ৬ জন নেতা, ১ কর্মী ও ২ সমর্থক এবং উপজেলা বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর ১১ নেতার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

আ.লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে যাঁদের পরিচয় জানা গেছে

নাসিরনগরের হরিপুর ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা ও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান দেওয়ান আতিকুর রহমান (সাময়িক বরখাস্ত), নাসিরনগরের সদর ইউপি চেয়ারম্যান এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হকের ভাগনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-প্রচার সম্পাদক আবুল হাসেম, হরিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি (বহিষ্কারের সুপারিশকৃত) ফারুক মিয়া, চাপরতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি (বহিষ্কারের সুপারিশকৃত) সুরুজ আলী, হরিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা রাশেদ চৌধুরী (পদবি জানা যায়নি) ও কর্মী সুহেল, উপজেলা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি শেখ আবদুল আহাদ, আওয়ামী লীগের সমর্থক আহাদ মিয়া ও জাহাঙ্গীর আলম।

বিএনপি নেতারা

নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও হরিপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মো. জামাল মিয়া, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি নাসির উদ্দিন, সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারজান, হরিপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি বিল্লাল হোসেন, হরিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ মাহবুব, হরিপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা জামাল (পদবি জানা যায়নি) ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ইকবাল, কুণ্ডা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মো. পাভেল, গোকর্ণ ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মো. মনু মিয়া (পদবি জানা যায়নি)।

সুত্র : প্রথম আলো,

Related posts:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *