পাকিস্তান হওয়ার দিকে একধাপ এগোলো পশ্চিমবঙ্গ!!এটা কি মানবিকতা নাকি ইসলামীকরণের চেষ্টা?

পাকিস্তান হওয়ার দিকে একধাপ এগোলো পশ্চিমবঙ্গ!!এটা কি মানবিকতা নাকি ইসলামীকরণের চেষ্টা?

 

হিন্দু নিউজ ;  শীগ্রই এক বড়রকমের সমস্যার সম্মুখীন হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ। খুব তাড়াতাড়ির  মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ ২য় বাংলাদেশ বা মিনি পাকিস্তানের রূপ নেবে বলে মনে করছে সমাজের একাংশ। এর কারণ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে অবাধে অবৈধ মুসলিমদের প্রবেশকে দায়ী করছে তারা। আসলে মায়ানমার থেকে বিতাড়িত হিংস্র রোহিঙ্গা মুসলিমরা বর্তমানে অবাধে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে চলেছে। যদিও কেন্দ্র বার বার রাজ্যগুলিকে রোহিঙ্গা মুসলিমদের নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে।

 

আপনাদের জানিয়ে দি, কয়েকমাস আগেই কলকাতার শহরতলি বারুইপুর এলাকায় কিছু রোহিঙ্গা মুসলিম এসে আস্তানা গড়ে। যদিও তখন এই ব্যাপারটাকে নিয়ে এতটা হৈচৈ শুরু হয়নি কারণ তখন রোহিঙ্গাদের সংখ্যাটা খুব একটা বেশি ছিল না। কিন্তু কিছুদিন আগে আবার প্রচুর রোহিঙ্গাদের ট্রাক ভর্তি করে আনা হয়। এই রোহিঙ্গা মুসলিমদের জন্য থাকা খাওয়া র অস্থায়ী শিবিরও খুলেছে এক সংস্থা।

রোহিঙ্গা মুসলিমদের থেকে ভয়ের কারণ-

আসলে এই রোহিঙ্গা মুসলিমরা খুবই আক্রমক প্রকৃতির হয়ে থাকে। জানা গেছে মায়ানমারে এই রোহিঙ্গা মুসলিমরা বহু বৌদ্ধ ধর্ম ও হিন্দুধর্মের মানুষের উপর অত্যাচার চালায়,যার জেরেয় মায়ানমার সরকার রোহিঙ্গা মুসলিমদের দেশছাড়া করে।

সেইসময়, এই রোহিঙ্গা মুসলিমদের বেশকিছু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল যেখানে বৌদ্ধধর্মের ও হিন্দুধর্মের মানুষের উপর চরম অত্যাচার করতে দেখা যায় রোহিঙ্গা মুসলিমদের। ভিডিওতে দেখা যায় রোহিঙ্গা মুসলিমরা ধর্মের নামে প্রচুর মানুষকে হত্যা করে।

এমনকি এটাও দেখা গেছে, এই রোহিঙ্গা মুসলিমরা বাংলদেশে আশ্রয় নেওয়ার পর অনেক অসামাজিক কাজে অংশ নিয়েছে।জঙ্গি সংগঠনগুলির সাথেও এদের যোগ আছে বলে জানা গিয়েছে। জম্মুকাশ্মীরে সুঞ্জুয়ান এর জঙ্গি হামলায় সেখানে থাকা রোহিঙ্গা মুসলিমরা যুক্ত রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন সেনাপ্রধান।

 

এই রোহিঙ্গা মুসলিমদের মধ্যে এতটুকুও জন্মনিয়ন্ত্রণ করার বোধ নেই। এক একজন রোহিঙ্গা মুসলিম মহিলারা কমপক্ষে ১০ থেকে ২০ জন শিশুকে জন্ম দেয় যা সমাজের জন্য অত্যন্ত ভয়াবহ। পশ্চিমবঙ্গের জনঘনত্ব এমনিতেই বেশি তার মধ্যে রোহিঙ্গারা বসবাস করতে শুরু করলে বেকারত্ব প্রবল হবে এবং অসামাজিক কাজকর্মও বেড়ে যাবে।

রোহিঙ্গা মুসলিমরা পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় বাসিন্দা হলেই তারা সমান অধিকার ও একই সাথে সংখ্যালঘু হিসেবে অধিক সুযোগ সুবিধার দাবি তুলবে।তখন স্বাভাবিক ভাবেই বঙ্গবাসীর মধ্যে সৃষ্টি হবে ক্ষোপ ও উত্তেজনা।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার গভীররাতে কক্সবাজার থেকে ৮০ জন রোহিঙ্গা মুসলিম বারুইপুরে এসে পৌঁছেছে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে আরও ৪০,০০০ রোহিঙ্গা মুসলিমকে পশ্চিমবঙ্গে আনার চক্রান্ত চলছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা।  যে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার মাধমে এই কার্য পরিচালনা করা হচ্ছে সেই সংস্থার সম্পাদক হোসেন গাজি জানিয়েছেন, কক্সবাজারের টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে আমাদের যে অফিস রয়েছে সেখান থেকেই মায়ানমার বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের এখানে আনা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর কাছে এব্যাপারে সাহায্যের জন্য আবেদন করা হয়েছে বলে জানান হোসেন গাজি।

এখন প্রশ্ন থাকছে এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলি পশ্চিমবঙ্গে দরিদ্র, না খেতে পাওয়া মানুষদের পাশে না দাঁড়িয়ে, টাকা খরচ করে রোহিঙ্গা মুসলিমদের পাশে দাঁড়াচ্ছে কেন!

এটা কি মানবিকতা নাকি ইসলামীকরণের চেষ্টা?

হিন্দুদের বাচার একটাই পথ এখুনি মায়ানমার নীতি বলবত করতে হবে । কিন্তু এমন কাজ করার মত বুকের হিম্মত হিন্দুদের আছে কি?

 

 

 

Related posts:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *