বাঙালি ও অবাঙালিদের মধ্যে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা! মমতা ব্যানার্জীর গু

বাঙালি ও অবাঙালিদের মধ্যে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা! মমতা ব্যানার্জীর গুরতর অভিযোগ মোদী সরকারের

গুরুতর অভিযোগ মমতা ব্যানার্জীর উপর।

 

Hindus.new

একদিকে যখন আসামের জনগণের মানুষদের বহুদিনের দাবি মেনে বিজেপি সরকার NRC এর তালিকা বের করতে সক্ষম হলো তখন এই NRC নিয়ে কেন্দ্রের চরম বিরোধিতায় নেমে পড়েছে কংগ্রেস এবং বিশেষভাবে তৃণমূলের সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জী। NRC তালিকা বেরোনার পর মমতা ব্যানার্জী এক পাবলিক মিটিং এ এই তালিকার বিরোধিতা করে চ্যালেঞ্জ করে বলেন, বলেন,’মোদীর এত বড় সাহস কি করে হয়, ওদের একজনের গায়ে হাত লাগিয়ে দেখাক মোদী। আমাকে ওরা চেনে না’ আপনাদের জানিয়ে রাখি, মমতা ব্যানার্জী অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের বাঙালি বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করেন। মমতা ব্যানার্জী তার ভাষণ এমনভাবে পেশ করেন যেন কেন্দ্র সরকার বাঙালি বিরোধী সরকার।

আসলে কেন্দ্র সরকার সেই সমস্ত বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করার জন্য NRC বের করেছে যারা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছে। শুধু তাই নয়, সরাষ্ট প্রতিমন্ত্রী এটাও জানিয়েছেন যে সরকার কোনোভাবেই হিন্দু শরণার্থীদের ভারত থেকে যেতে বলবে না। অর্থাৎ যে সকল হিন্দুরা ১৯৭১ এর আগে বা ১৯৭১ এর পরেও অত্যাচারিত হয়ে ভারতে ঠাঁই নিয়েছেন তাদের কোনোভাবেই ভারত ছাড়তে বলা হবে না। এখন জানলে অবাক হবেন, যে মমতা ব্যানার্জী আজ অবৈধ বাংলাদেশিদের হয়ে ন্যাকামো করছেন ঠিকই কিন্তু সেই বাংলাদেশিদের ভারত থেকে তাড়ানোর জন্য ১৩ বছর আগে অর্থাৎ ২০০৫ সালে সাংসদে হৈচৈ করেছিলেন ইনি।বাংলাদেশিদের দেশ থেকে বের করার জন্য প্রতিবাদের ঝড় উঠিয়েছিলেন। কারণটা পরিষ্কার, ভোট ব্যাঙ্কের জন্যেই রূপ বদলাচ্ছে মমতা ব্যানার্জী। তবে শুধু অবৈধ বাংলাদেশিদের পক্ষে সমর্থন করেই থেমে জাননি মমতা।

 

তিনি বলেছেন অবৈধ বাংলাদেশিদের দেশ থেকে বের করলে রক্ত গঙ্গা বইবে, গৃহযুদ্ধ বাঁধবে দেশে। অর্থাৎ একভাবে দাঙ্গার জন্য উস্কে দেন মমতা ব্যানার্জী। মমতা ব্যানার্জীর এই বক্তব্যের পর তীব্র প্রতিবাদ জানান বিজেপি নেতৃত্ব ও আসামের সাধারণ মানুষ। আসামের নিউজ চ্যানেলগুলি অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী, বিষকন্যা বিষবাষ্প ইত্যাদি নামকরণ করে অপমান করেছে মমতা ব্যানার্জীকে কারণ তাদের দাবি তিনি উস্কানি মূলক ভাষণ দিয়ে আসামী ও বাঙালিদের মধ্যে দাঙ্গা লাগিয়ে দিতে চাইছেন তিনি। অর্থাৎ ভারতীয়দের সাথে ভারতীয়দের লড়াই লাগিয়ে দেওয়ার পথে কাজ করেছেন মমতা। অন্যদিকে বিজেপির যুবমোর্চা ডিব্রুগড়ের জেলার এক থানায় মমতার নামে কমপ্লইন্ট দায়ের করেন।

 

একদিকে যখন কেন্দ্র সরকার প্রচুর পরিমানে অর্ধসেনাবাহিনী নামিয়ে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে সক্ষম হয়েছে তখন দেশের এত বড় নেত্রী হয়ে এমন উত্তেজনক ভাষণকে নিন্দিনীয় বলে দাবি করেছেন আসামবাসী। এমনি দেশের মিডিয়ায় এই বিষয়ে মমতাকে চাপ দিতে শুরু করেছে।

 

বিখ্যাত সাংবাদিক অর্ণব গোস্বামি মমতার উপর ক্ষোপ প্রকাশ করে বলেন, আমি একজন আসামী, আর আসাম শুধু মাত্র ভারতীয়দের জন্য। মমতা ব্যানার্জী বাংলাদেশি অবৈধ মুসলিম ভোটের লোভে বাঙালি ও আসামিদের মধ্যে যুদ্ধ লাগানোর চেষ্টা করছে। বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ, মমতার উপর আক্রমন করে বলেছেন যে উনার সাধারণ জ্ঞান বাড়ানো উচিত, কারণ উনি দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নিয়ে খেলা করছেন।

 

 

Related posts:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *