মানবাধিকার নিয়ে যারা কথা বলে তাদের মিথ্যা মামলা দিয়ে চুপ করানোর চেষ্টা চলছে’

মানবাধিকার নিয়ে যারা কথা বলে তাদের মিথ্যা মামলা দিয়ে চুপ করানোর চেষ্টা চলছে’

 Hindus.news

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সুলতানা কামাল বলেছেন, ‘দেশে মানবাধিকার নিয়ে যারা কথা বলে তারাই এখন সবচেয়ে বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে চুপ করানোর চেষ্টা চলছে।’

আজ বৃহস্পতিবার ‘আদিবাসী মানবাধিকার সুরক্ষাকর্মীদের সম্মেলনে’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন সুলতানা কামাল। রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে কাপেং ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সুলতানা কামাল বলেন, ‘যারা মানবাধিকার নিয়ে কাজ করছে তাদের ওপর নানা ধরনের অত্যাচার নেমে আসছে। তাদেরকে চুপ করিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের ধমকানো হচ্ছে। তাদের হুঁশিয়ার করে দেওয়া হচ্ছে। সেখানে যদি থামাতে না পারে তাদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে গ্রেপ্তার পর্যন্ত করা হচ্ছে। আবার যখন মিথ্যা মামলা দাঁড় করাতে পারবে না তখন আরেকটা মামলা নিয়ে আসে।’
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিজানুর রহমান ও অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি হাই কমিশনার পেনি মর্টন। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং। ntv
‘কারাগারের ভেতর মামলা পরিচালনা করা অযৌক্তিক’
কারাগারের ভেতর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মামলা পরিচালনা করা অযৌক্তিক বলে মনে করেন দেশের অন্যতম সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেন। সংবিধানকে সময়োপযোগী করতে প্রয়োজনে কমিশন গঠনের ওপরও জোর দেন তিনি।

গণতন্ত্র, সংবিধান ও বিচার বিভাগকে রক্ষার্থে জাতীয় ঐক্য এবং ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কথাও বললেন প্রবীণ এই আইনজীবী। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলণায়তনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় ড. কামাল এসব কথা বলেন।
দেশের গণতন্ত্র, সংবিধান, বিচার বিভাগ ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। এতে উপস্থিত আইনজীবী ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন ড. কামাল হোসেন। কথা বলেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারাগারে বিচার প্রসঙ্গে।

ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘জেলখানায় আদালত। এগুলো অ্যাবসার্ড। এগুলো কেন করা হয়? অস্বাভাবিক কোনো কিছু কেন করতে হবে? আমাদের সংবিধানে আছে অর্ডিনারি আইন অনুযায়ী বিচার হবে, অর্ডিনারি আইন হিসেবে শাস্তি হবে। এক্সট্রা অর্ডিনারি কেন করতে হবে? কোন কারণে জেলখানার ভেতরে এতগুলো নাটকীয় জিনিস করতে হবে?’

 

স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর বর্তমান প্রেক্ষাপটে সংবিধানে যে ঘাটতি আছে তা দূর করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করারও আহ্বান জানান কামাল হোসেন।ড. কামাল বলেন, ‘ড. কামাল হোসেন। সংবিধানের ৪৬ বছর পরে নিশ্চয়ই আমরা অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি এরমধ্যে আরো কিছু সংশোধন করা দরকার, সংযোজন করা দরকার।’

 

 

Related posts:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *