মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যে তোলাবাজি চাঁদাবাজি সমাজ বিরোধীদের স্বচ্ছ ইউপি মিশন শুরু!

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যে তোলাবাজি চাঁদাবাজি সমাজ বিরোধীদের স্বচ্ছ ইউপি মিশন শুরু!

 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেখানে সারা দেশে স্বচ্ছ ভারত মিশন চালাচ্ছে, সেখানে উত্তর প্রদেশের নতুন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ তার সাথে আরও একটি অভিযান চালাচ্ছেন সেটা হলো স্বচ্ছ ইউপি মিশন যার মূল উদ্দেশ্য হলো গোটা রাজ্যে সমাজ বিরোধীদের থেকে মুক্ত করা।
সবাই ভেবেছিল যে জাতিবাদ এবং সংখ্যা লঘু তোষণ করা রাজ্য এই ভাবেই চলবে। কিন্তু সেই ধারণাও ভুল প্রমাণ করে বিপুল ভোটে উত্তর প্রদেশে সরকার গড়েন এই সন্ন্যাসী, এবং শপথ নেওয়ার পরেই তিনি পরিষ্কার বুঝিয়ে দেন যে এই রাজ্যে সমাজবিরোধীদের কোন জায়গা নেই, হয় আত্মসমর্পন করো, নাহলে রাজ্য ছেড়ে চলে যাও, আর না বদলালে তাদের চরম শিক্ষা দেওয়া হবে বলেও তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন।

গত জুন মাসে তিনি এক টিভি অনুষ্ঠানে সকল সমাজবিরোধীদের সতর্ক করে বলেছিলেন – ” আগার আপরাধ করোগে তো ঠোক দিয়ে যাওগে” তার সেদিনকার কথাটা যে মিথ্যা ছিলনা, তা আজ সবাই বুঝতে পারছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতোই কাজ শুরু করলো রাজ্যের পুলিশ । গত ৪ মাসে প্রায় চারশোর বেশী এনকাউন্টারে খতম হয়েছে ১৫ জনের বেশী কুখ্যাত সমাজবিরোধীকে, যাদের বিরুদ্ধে, খুন , ধর্ষন, অপহরণ, তোলাবাজির মত মামলা চলছিল।

ওপরমহল থেকে খোলা হাত পেয়ে ফুল অ্যাকশানে রাজ্য পুলিশ। সরকারি তথ্য অনুযায়ী এখনও পর্জন্ত তারা ৪২০টা এনকাউন্টার করেছে জার পরিণামে ১৫ জন মারা গেছে এবং ১১০৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রায় ৮অ জন পুলিশ কর্মী আহতও হয়েছে বলে খবর।

অন্যদিকে সবচেয়ে বেশী প্রভাবিত মেরঠ জেলাতেই ৮০% এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটেছে কারণ জেলাটি সবথেকে বেশী সমাজবিরোধী প্রভাবিত।

এই নিয়েও রাজনীত করা ছাড়েনি বিরোধীরা, তাদের দাবী, সরকার বেছে বেছে সংখ্যালঘুদেরই এনকাউন্টারে মারছে। তাদের দাবী খারিজ করে রাজ্যের ডিজি জানান যে গোটা রাজ্যে মৃত ১৫ জনার মধ্যে অন্য সম্প্রদায়ের ৬ জন আছে আর তারা সবাইই কুখ্যাত, এবং খুনের মত গুরুতর অভিযোগে পুলিশ তাদের অনেক দিন ধরেই খুজছে।
অন্যদিকে বর্তমান পরিস্থিতে সমাজবিরোধীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই থানায় আত্মসমর্পণ করে প্রাণে বাচতে চাইছে। কারন তাদের মতে বাইরের থেকে জেল সবথেকে নিরাপদ। অন্যদিকে ইতিমধ্যে মুক্তি পাওয়া আসামীরাও জেল থেকে বেরোতে চাইছে না, তাদের দাবী অন্য কোন মামলায় পুলিশ তাদেরও এনকাউন্টার করে দিতে পারে।

যাই হোক, দীর্ঘদিন জঙ্গলরাজের সাক্ষী রাজ্যবাসী ক্রিমিনালদের এই করুণ দশা দেখে নিজেদের অনেকটাই সুরক্ষিত অনুভব করছে। অন্যদিকে পুলিশকে স্বাধীন ভাবে কাজ করতে দিলে তারাও যে নিজের দক্ষতা দেখাতে পারে সেটাও তারা প্রমান করে দিলো।

 

 

Related posts:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *