মুসলিম ছেলেকে বিয়ে করার আগে একবার অন্তত লেখাটা পড়বেন।

মুসলিম ছেলেকে বিয়ে করার আগে একবার অন্তত লেখাটা পড়বেন।

যেসব হিন্দুমেয়েরা অলরেডি মনস্থির করে ফেলছো, নিজের মা,বাবার ভালবাসাকে তুচ্ছ জ্ঞান করে,তাদের মুখে চুন কালি মেখে ,নিজের স্বধর্মকে ত্যাগ করে মুসলিম ছেলেকে বিয়ে করবা তাদের উদ্দেশ্যে এই লেখা !!
মনোযোগ দিয়ে পড়বে বেশি না ৭ মিনিট সময় দাও আমকে just !!
কোরান কি কখনো পড়েছ ?
মুসলমানদের সহি হাদিস কি দেখেছেন ? ওখানে কি আছে ?
আসো তাহলে দেখা যাক …..
বিয়ের পরপরই তুমি হয়ে যাবে তোমার মুসলিম স্বামীর শস্যক্ষেত্র। চাহিবা মাত্র তোমার মুসলিম স্বামীকে তুমি তোমার দেহ দানে বাধ্য থাকিবে। এতে তোমার সুস্থতা -অসুস্থতা, তোমার চাওয়া না চাওয়ার, ভালো লাগার বা না লাগার কোনো প্রশ্ন নেই।
এ সম্পর্কিত আয়াত: “তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের শস্যক্ষেত্র। অতএব তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করতে পারো। (কোরান – ২: ২২৩)
শুধু তাই নয়, শস্যক্ষেত্র এবং যেভাবে খুশি গমন করার ব্যাপারটিকে পাত্তা না দিয়ে স্বামীকে অসন্তুষ্ট রেখে তুমি যদি ঘুমিয়ে পড়ো, তাহলে সারা রাত্রি ধরে ফেরেশতারা তোমাকে যে ভাবে অভিশাপ দিয়ে যাবে,
সেই হাদিসটি এরকম : যদি কোনো স্ত্রীকে তার স্বামী বিছানায় ডাকে যৌন মিলনের জন্য, আর সে স্বামীর ডাকে সাড়া না দেয়, যাতে তার স্বামী রাগান্বিত অবস্থায় ঘুমাতে বাধ্য হয়, তখন ফেরেশতারা সেই স্ত্রীলোকটিকে সকাল পর্যন্ত অভিশাপ দিতে থাকে। ( বুখারী- ভল্যুম-৪, বই-৫৪, নং-৪৬০) 
এরপর তোমার মুসলিম শ্বশুর যদি কখনো তোমার রূপ-সৌন্দয্যে মুগ্ধ হয়ে তোমার দিকে সুদৃষ্টি বা কুদৃষ্টি দেয় এবং তোমার বিছানায় উনি আসে বা তার বিছানায় তোমাকে নিয়ে যায় এবং তোমাকে ধর্ষণ করে, তাহলে তোমার স্বামী আর স্বামী থাকবে না, তোমার স্বামী হয়ে যাবে তোমার ছেলে, আর তোমার বৃদ্ধ শ্বশুর হবে তোমার স্বামী। 
ইসলাম তো অতি আধুনিক ধর্ম! তাই এটাই ইসলামের শরিয়তি আইনের ফয়সালা! এই ঘটনার অনুপ্রেরণা, ইসলামের নবী মুহম্মদের জীবনের একটি ঘটনা। নবীজি জীবনে যা কিছু করেছে, তার সবই মুসলিমদের পালন করা সুন্নত। এজন্য এই সুন্নতটিও পালন করতে মুসলিমরা সব সময়ই আগ্রহী। কারণ, এই সুন্নত পালনে মজা আছে। (কোরান- ৩৩:৩৭) 
জ্ঞানী মুসলিম শ্বশুররা সুন্দরী- স্বাস্থ্যবান পুত্রবধূর দিকে মাঝে মাঝে হাত বাড়ায়। বাংলাদেশে এধরনের ঘটনার কথা শোনা না গেলেও ভারতে এধরণের ঘটনার কথা প্রায় শোনা যায়। 
যেমন- উত্তরপ্রদেশের মুজাফফরনগরের চরথাওল গ্রামের ইমরানা বিবি এবং তার শ্বশুর আলি মহম্মদের ঘটনা। এই ঘটনা ঘটেছিলো ২০০৫ সালে। এতে ভারতের তামাম ইসলামি মাথা, লম্পট শ্বশুরের পক্ষে রায় দিয়ে বলেছিলো, আলি মহম্মদ কোনো অন্যায় করে নি। ইমরানাকে এখন তার শ্বশুরকেই স্বামী হিসেবে মেনে নিয়ে ঘর করতে হবে আর তার স্বামীকে পুত্রের নজরে দেখতে হবে। এখানে একটি বিষয় চিন্তা করুন, এই ঘটনায় ইমরানার কী দোষ ছিলো ? সে শ্বশুরের সাথে পরকিয়াও করে নি, শ্বশুরই তাকে জোর করে ধর্ষন করেছে। সেই বিচারও প্রশাসনের কাছে ইমরানা পেলো না, শুধু ইসলামিক আইনের জোরে, উল্টো লম্পট শ্বশুরের সাথে তাকে ঘর করতে হলো! 
যাকে এত ভালোবেসে বিয়ে করছেন, সেই মানুষটি যদি কোনো কারণে আপনাকে রাগের মাথায় তালাক বলে ফেলে, তাহলেই কিন্তু আপনার সংসার জীবন শেষ। এরপর আপনার মুসলিম স্বামী যদি নিজের ভুল বুঝতে পেরে আবার আপনাকে ঘরে নিতে চায় তাহলে কিন্তু সে তা পারবে না। আপনাকে তখন একজন অপরিচিত বা পরিচিত অন্য কাউকে বিয়ে করতে হবে। এই বিয়ের নাম “হিল্লা বিয়ে“। শুধু তাকে বিয়ে করলেই হবে না, অন্তত একবার হলেও তার সাথে সেক্স করতে হবে। এরপর ওই ব্যক্তিটি যদি আপনাকে আবার তালাক দেয় তাহলেই শুধু আপনি আবার আগের স্বামীর সঙ্গে শুতে পারবেন। এ সম্পর্কিত আয়াত “অতঃপর স্ত্রীকে যদি সে তালাক দেয় তবে যে পযন্ত না ঐ স্ত্রী অন্য স্বামীকে বিবাহ করছে এবং এই দ্বিতীয় স্বামী ঐ স্ত্রীকে তালাক দিচ্ছে, সে ঐ স্ত্রীকে পুনরায় বিবাহ করতে পারবে না। (কোরান- ২: ২৩০) 
যখন তখন আপনার মুসলিম স্বামী আরো তিনটি বিয়ে করে আপনার সংসারকে “চার সতীনের ঘর” বানিয়ে দিতে পারে। তখন আপনার মুসলিম স্বামী আপনাকে রেশনিং পদ্ধতিতে বিছানায় সময় দেবে, তিনদিন পর পর একদিন। এ সম্পর্কিত আয়াত, “… চারজনকে বিয়ে করে নাও...” (কোরান- ৪:৩) 
তুমি স্ত্রীদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা তোমার নিকট হতে দূরে রাখতে পারো এবং যাকে ইচ্ছা গ্রহন করতে পারো“। (কোরান- ৩৩:৫১) 
অর্থাৎ স্বামীর মন পেতে হলে এবং তাকে আপনার বিছানায় নিতে হলে পতিতা পল্লীর মেয়েদের মতো কাস্টমার ধরার জন্য আপনাকে আরো তিনজনের সাথে কমপিটিশনে নামতে হবে। এরপরও আপনার মুসলিম স্বামীর মন ও দেহ যদি আপনি না পান এবং রাগের বশে বা দেহের জ্বালায় যদি অন্য কাউকে বিছানায় নেওয়ার চেষ্টা করেন, তার ব্যবস্থাও ইসলাম করে রেখেছে। ব্যবস্থাটি একরম : “তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা ব্যাভিচার করে… তাদের গৃহে অবরুদ্ধ করবে, যে পযন্ত না তাদের মৃত্যু হয়।” (কোরান-৪:১৫) 
তোমার স্বামী যদি মুসলিম হয়, তাহলে তুমি তোমার স্বামীর বন্ধুদের সাথে হেসে কথা বলতে পারবে না এবং সবসময় ঘরের মধ্যে থাকতে হবে। কোন আয়াতের নির্দেশ সেটা দেখো : “…
বাক্যালাপে কোমলতা অবলম্বন করো না, যাতে দুষ্ট মনের কোনো ব্যক্তি লালসা করতে পারে।” (কোরান- ৩৩:৩২) 
নিজেদের ঘরে অবস্থান করো এবং…সাজগোজ দেখিয়ে বেড়িয়ো না।” (কোরান- ৩৩:৩৩) 
এখানেই শেষ নয়, আপনার জন্য বিপদ আরো আছে। ৪টা বিয়ের পর আপনার মুসলিম স্বামী হয়তো আর বিয়ে করতে পারবে না। কিন্তু বাড়িতে যদি কাজের মেয়ে রাখেন, তাহলেই আপনার সর্বনাশ। ঐ কাজের মেয়েকে আপনার স্বামীর বিছানায় দিতে আপনি বাধ্য থাকবেন। আল্লাহ কোন আয়াতে এমন বিধান দিয়েছেন, কোরান খুলে একটু দেখে নিন, —-
এদের পরে তোমার জন্য অপর মহিলারা হালাল নয়, আর এদের স্থানে অপর স্ত্রী গ্রহণ করারও অনুমতি নেই, তাদের রূপ-সৌন্দয্য তোমার যতই মন মতো হোক না কেনো! অবশ্য দাসীদের অনুমতি তোমার জন্য রয়েছে।“(কোরান-৩ ৩: ৫২) 
সিদ্ধান্ত নাও এবার তুমি, তোমার উপরই ছেড়ে দিলাম সব… নিশ্চয়ই তুমি একটা বুদ্ধিমতী মেয়ে
 # শেয়ার করে সবাই বোনদের সর্তক করুন !

Related posts:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *