রুপগঞ্জ, নাওরা গ্রামের একটি প্রভাবশালী ও স্বার্থান্বেষী মহলের মূল হোতা ভূমিদস্যু রফিকুল ইসলাম ওরফে আন্ডা রফিক,পূজামন্ডব নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন।

 রুপগঞ্জ, নাওরা গ্রামের একটি প্রভাবশালী ও স্বার্থান্বেষী মহলের মূল হোতা ভূমিদস্যু রফিকুল ইসলাম ওরফে আন্ডা রফিক,পূকামন্ডব নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন। 

 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ‘অতি দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানাচ্ছি যে, আমি প্রলাশ দত্ত গ্রাম : নাওড়া, পোস্ট ও থানা রূপগঞ্জ, জেলা : নারায়ণগঞ্জ। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও সর্বজনীন দুর্গোৎসব পালনের আকুল ইচ্ছায় পূজা প্রস্তুতি শুরু করেছি। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় এই যে, আমাদের গ্রামের একটি প্রভাবশালী ও স্বার্থান্বেষী মহলের মূল হোতা ভূমিদস্যু রফিকুল ইসলাম ওরফে আন্ডা রফিক ও তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনী

নাওরা এবং রুপগঞ্জ ইউনিয়নের মোট ২৪টা মৌজার কৃষি জমি বালু বরাটের কন্টেকট্রার বসুনধারা ও জলসিড়ি আবাসনের এজেন্ট এই আন্ডা রফিক ও আরেক সহচর নূরুজ্জামান খান এলাকার কৃষি জমি বরাট করে ভুয়া কাগজ ভুয়া মালিক সাজিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে কেউ কিছু বললে তাকে প্রাননাশের হুমকি এমনকি এলাকা ছাড়তে হয়। এবং জীবনের ভয়ে কেউ কিছু বলতে সাহস পায়না। আন্ডা রফিকোর  পিছনে ওরা কারা? বাংলাদেশের এক প্রভাবশালী মহল কে নিয়ে সে এই ভুমি লুটের খেলায় মেতেছে। কৃষি জমি থেকে শুরু করে হিন্দুদের শ্বশান বাড়ি-ঘর থেকে উচ্ছেদ করে আবাসন তৈরীর কাজে নিউজিত রয়েছেন। হিন্দুরা বিচার পাবার আশায় শ্বরাষ্ঠমন্ত্রী ভুমিঅফিস পরিবেশ অধিপ্তর প্রধানমন্ত্রী ভুমিমন্ত্রী এবং ভারতীয় হাইকমিশের নিকট লিখিত অভিযোগ করা হলেও কোন জবাব মেলেনি। গত বছরের ন্যায় এবারও গ্রামের হিন্দু সমাজকে দ্বিধাবিভক্ত করে সার্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসবকে বন্ধের জন্য সচেষ্ট হয়েছে। আন্ডা রফিক গ্রামের কুচক্রী হিন্দুদের সঙ্গে নিয়ে আমাদের হিন্দু সমাজকে বিভ্রান্ত করে আমাদের মধ্যে জাতিগত বিভেদ সৃষ্টি করেছে। জনাবের নিকট উল্লেখ্য যে, গত বছর আন্ডা রফিক ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী আমাদের পূজামণ্ডপে এসে হামলা করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে ও প্রতিমা ভাঙচুর করে পূজা বন্ধ করে দেয়। এ ঘটনা তৎকালীন সকল জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু এই বছর আন্ডা রফিক তাঁর অনুসারীদের নিয়ে শুধুমাত্র একটি পূজামণ্ডপে পূজা করার ঘোষণা দিয়েছে এবং অন্যান্য পূজামণ্ডপে কেউ পূজা উদযাপন করলে তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। সে একজন দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী। তার সাথে সব সময় দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ ছয়-সাতজন গ্যানমান থাকে যারা যে কোনো জায়গায় উপস্থিত হলে মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।এমত অবস্থায় 

কেউ শান্তিতে নেই রুপগঞ্জ কায়েতপাড়ার সকল হিন্দু একসময় সহায় সম্ভল হাড়িয়ে ভারতের উদ্ধ্যেশে পাড়ি জমাবে এখনও কিছু কিছু সনাতন ধর্মের সংখ্যালঘু হিন্দুরা বেশি দামের জমি পানির দামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়ে নিশ্ব্য হয়ে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হচ্ছে।

খবর Ntv.com.

বিস্তারিত আরও পোস্ট পেতে সাথেই থাকুন।

 

 

 

Related posts:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *