হিন্দুদের পবিত্র শহর মথুরাকে ইসলামিকরণের বড়ো ষড়যন্ত্র ফাঁস! হিন্দুদের সংখ্যালঘু করার চক্রান্ত করছিল কট্টরপন্থীরা।

 

হিন্দুদের পবিত্র শহর মথুরাকে ইসলামিকরণের বড়ো ষড়যন্ত্র ফাঁস! হিন্দুদের সংখ্যালঘু করার চক্রান্ত করছিল কট্টরপন্থীরা।

 

 

নিউজ ডেস্ক ; মথু৷রা কোনো যেমন তেমন একটা শহর নয়, যার সাথে হিন্দুরা ঝুঁকি নিতে পারবে। মথুরা ভগবান বিষ্ণুর অবতার ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মভূমি। এটা হিন্দুতীর্থস্থল, হিন্দু সমাজের সবথেকে পবিত্র ধর্মস্থলের মধ্যে একটা স্থান এই মথুরা। কিন্তু মথুরাকে কবজা করে একটা ইসলামিকরণের করার একটা বড়ো ষড়যন্ত্র সামনে আসছে। এবার খুব তাড়াতাড়ি মথুরা শহর যদি শ্রীনগর, বারামুলা, কৈরানা এর মতো ইসলামিকরণ হয়ে যায় তাহলে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। কারণ শ্রীনগর ইত্যাদির মতো শহরগুলি আগে হিন্দুদের পবিত্র শহর ছিল কিন্তু ধীরে ধীরে হিন্দুদের সেকুলার ঘুমের সুযোগ উঠিয়ে শহরগুলিকে ইসলামীকরণ করে দেওয়া হয়েছে। এই শহরগুলি এখন হিন্দুদের জন্য সম্পূর্নরূপে নরকে পরিণত হয়েছে। এখন মথুরা শহরকে ইসলামিকরণ করার জন্য বড়ো ষড়যন্ত্র শুরু হয়ে গিয়েছে।
মথুরাতে হিন্দু জনসংখ্যা কমিয়ে মুসলিম জনসংখ্যা বাড়ানোর একদিকে যেমন প্রয়াস চলছে তেমনি অবৈধ বাংলাদেশিদের বসানোর এক বড়ো ষড়যন্ত্র শুরু হয়ে গিয়েছে। আসলে সম্পূর্ন পরিকল্পনার সাথে এই কাজ চলছে। স্থানীয় কট্টরপন্থীরা একদিকে যেমন লাগাতার সন্তান জন্ম দিয়ে যাচ্ছে তেমনি অবৈধ বাংলাদেশিদের প্রবেশ করেছে তাও আবার সরকারের চোখে ফাঁকি দিয়ে। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী এই ষড়যন্ত্র বেশ কয়েক বছর ধরেই চলছে কিন্তু বর্তমান সরকার আসার পর ষড়যন্ত্রটি সকলের সামনে এসেছে।

 

যোগী সরকার লাগাতার তদন্ত করে বাংলাদেশিদের গ্রেপ্তার করতে শুরু করে দিয়েছে কিন্তু স্থানীয় কট্টরপন্থীরা, অবৈধ বাংলাদেশিদের ঠাঁই দিয়ে প্রশাসনের কাছে থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। মথুরাতে তেমন কোনো কলকারখানা নেই তা সত্ত্বেও লাগাতার জনসংখ্যা বাড়ার একটা ইঙ্গিত দেখার পরেই যোগী সরকার নড়েচড়ে বসেছিল এবং তদন্ত শুরু করেছিল যারপর এই বড়ো ষড়যন্ত্র সামনে এসেছে।অবৈধ বাংলাদেশিরা কেন মথুরা আসছে এটা তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ লোকেরা বুঝতে না পারলেও যোগী সরকার ভালো ভাবেই বুঝতে পেরেছে।

 

 

আসলে মথুরা হিন্দুদের পবিত্র শহর, এই শহরে হিন্দুদের তাড়াতাড়িই মধ্যে সংখ্যালঘু করার ষড়যন্ত্র চলছে। হিন্দুদের একবার সংখ্যালঘু করে দিলেই মানসিক ভাবে বড়ো ঝটকা দেওয়া সম্ভব হবে। যারপর হিন্দুদের কোনো উৎসব পালন করতে দেওয়া হবে না। শহরে সাংসদ, বিধায়ক সমস্থ পদ কট্টরপন্থীরা দখল করবে। কিন্তু যোগী সরকার কট্টরপন্থীদের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরে কাজ শুরু করে দিয়েছে এবং লাগাতার গেপ্তার করতে শুরু করেছে।

প্রসঙ্গত জানিয়ে দি কোনো কোনো কট্টরপন্থী গরু চুরি করে ধরা পড়লে তা নিয়ে মিডিয়া লাগাতার ডিবেটের আয়োজন করে। কিন্তু কট্টরপন্থীদের এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে কোনোভাবেই মুখ রাজি নয় দালাল মিডিয়া।

 

 

Related posts:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *