বিজেপি প্রধানসহ দুই নেতার সন্ধান চায় পরিবার

বাংলাদেশ জনতা পার্টির (বিজেপি) সভাপতি মিঠুন চৌধুরী এবং এই জোটের নেতা আশিক ঘোষকে সপ্তাহ দুয়েক আগে পুলিশ ‘তুলে নিয়েছে’ বলে অভিযোগ করেছেন তাদের স্বজনরা।

 

 

এই দুজনের সন্ধান চেয়ে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।

 

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান আদিবাসী পার্টির প্রেসিডেন্ট মিঠুন চৌধুরী গত সেপ্টেম্বরে এক সংবাদ সম্মেলনে অপর কয়েকটি সংগঠন নিয়ে ‘বাংলাদেশ জনতা পার্টি-বিজেপি’ নামে নতুন রাজনৈতিক জোটের ঘোষণা দেন। তাদের উপর ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের ‘আশির্বাদ’ রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন তিনি।

 

গত ২৭ অক্টোবর মিঠুন ও তার রাজনৈতিক সহকর্মী আশিককে পাওয়া যাচ্ছে না জানিয়ে মিঠুনের স্ত্রী সুমনা চৌধুরী সীমা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “ওই দিন সূত্রাপুর থানা এলাকার ফরাশগঞ্জের প্রিয় বল্লব জিউর মন্দির গেইটের পাশের লেবুপট্টি থেকে একটি কালো গাড়িতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের দুজনকে আটক করে নিয়ে যায়।”

 

তিনি বলেন, “বিজেপি গঠন করার পরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মিঠুনকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছিল। নতুন দল করার কারণেই তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে।”

গত ২০ সেপ্টেম্বর ডিআরইউয়ে সংবাদ সম্মেলনে নতুন রাজনৈতিক জোট বিজেপির ঘোষণা দেন মিঠুন চৌধুরী

গত ২০ সেপ্টেম্বর ডিআরইউয়ে সংবাদ সম্মেলনে নতুন রাজনৈতিক জোট বিজেপির ঘোষণা দেন মিঠুন চৌধুরী

 

দীর্ঘদিন ‘বাংলার মুক্তাঙ্গন’ নামের একটি দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশকের দায়িত্বে আছেন মিঠুন চৌধুরী। ওই পত্রিকায় সিলেটের কয়েকজন ‘ভূমিদস্যু’ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় তার নামে সিলেটে একাধিক মানহানির মামলা হয়। তবে সে কারণে কেউ তাকে তুলে নেবে বলে মনে করেন না সীমা।

সংবাদ সম্মেলনে আশিক ঘোষের স্ত্রী সতী রানী ঘোষ বলেন, “মিঠুন চৌধুরী ও আশিকের সন্ধান না পেয়ে গত ৭ নভেম্বর সূত্রাপুর থানায় যোগাযোগ করলে ওসি বলেছিলেন, কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সহকারী কমিশনার আহসান হাবিবের নেত্বত্বে একটি দল তাদের দুজনকে আটক করেছে। এখানে থানা পুলিশের কিছু করার নেই।”

 

তিনি বলেন, দুজনের নিখোঁজের বিষয়ে জিডি করতে গেলে থানা থেকে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

 

“তারা বলেছে, কাউন্টার টেররিজম ইউনিটে যোগাযোগ করলে দুইজনের সন্ধান মিলতে পারে। এজন্য পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের অফিসের সামনে গিয়েও কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি “

 

এ বিষয়ে জানতে সূত্রাপুর থানার ওসিকে ফোন করা হলে ‘ব্যস্ত আছি’ বলে লাইন কেটে দেন তিনি।

 

পরে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের উপ-কমিশনার মহিবুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “তারা কি জঙ্গি নাকি?

 

“এই ধরনের কাউকে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সদস্যদের আট


কের কোনো প্রশ্নই আসে না।”

Related posts:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *