চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লার বাসায় ফেরার পথে কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী (৩৫) হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে র্যাব। হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিও র্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন। তবে গ্রেপ্তার আসামির সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান বলে জানিয়েছেন র্যাব–১১–এর সিপিসি–২ কুমিল্লার কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম। আজ রোববার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘এখনই আসামির সংখ্যাটা বলতে চাচ্ছি না। সংখ্যাটা বললে অপরাধীরা সতর্ক হয়ে যেতে পারে। তবে এখন এইটুকু বলতে পারি, হত্যাকাণ্ডে একাধিক ব্যক্তি জড়িত। আর চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লার বাসায় ফেরার পথে কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যার শিকার হয়েছেন।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি সূত্র প্রথম আলোকে জানিয়েছে, আজ রাত আটটা পর্যন্ত অন্তত তিনজনকে আটক করে হেফাজতে নিয়েছে র্যাব।
র্যাব জানায়, আগামীকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় কুমিল্লা নগরের শাকতলা এলাকায় অবস্থিত র্যাব–১১, সিপিসি–২ কুমিল্লার কার্যালয়ে কাস্টমস কর্মকর্তা হত্যা মামলার ক্লুলেস ও চাঞ্চল্যকর ঘটনায় জড়িত আসামি গ্রেপ্তার নিয়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে পুরো ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা করবেন মেজর সাদমান ইবনে আলম।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম থেকে গত শুক্রবার রাতে কুমিল্লার বাসায় ফিরছিলেন বুলেট বৈরাগী (৩৫)। কাছাকাছি স্থানে পৌঁছে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একাধিকবার কথাও বলেছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁর আর বাসায় ফেরা হয়নি। গতকাল শনিবার সকালে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কোটবাড়ী এলাকার আইরিশ হিল হোটেলের পাশে ওই কাস্টমস কর্মকর্তার মরদেহ পাওয়া যায়। মরদেহের মুখমণ্ডলে রক্তাক্তের চিহ্ন ছিল।
এ ঘটনায় গতকাল রাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় হত্যা মামলা করেছেন মা নীলিমা বৈরাগী। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।
