প্রতারণার মামলায় হরিদাস চন্দ্র তরণীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ময়মনসিংহ জেলা যুগ্ম দায়রা জজ আদালতের (অর্থ ও ঋণ) বিচারক শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ময়মনসিংহ যুগ্ম দায়রা জজ আদালতের (অর্থ ও ঋণ) পিপি মো. আনোয়ার আজিজ টুটুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঢাকা জেলার একটি মামলায় হরিদাস চন্দ্র তরণীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ফুলবাড়িয়া থানা পুলিশ একটি প্রতারণার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় ময়মনসিংহ যুগ্ম দায়রা জজ (অর্থ ও ঋণ) আদালতে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে আদালতে তোলা হয়।
টুটুল আরো বলেন, তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি সিআর মামলা নম্বর ১৪৯১/২০১২ সাল এনআইএক্ট ১৩৮ ধারা এই মামলার করা হয়। পরে আদালত মামলা হিসেবে গ্রহণ করে এবং ৩২১৮-২০২৩ বিচারকার্য সমাপ্ত করে। ওই মামলায় হরিদাস চন্দ্র তরণীর এক বছর সাজার রায় হয়। কিন্তু হরিদাস চন্দ্র তরণী পলাতক ছিল।
সম্প্রতি অন্য মামলায় হরিদাস চন্দ্র তরণীকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার হয়। সেই মামলা থেকে একটি সিআর মামলা সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসাবে সেখান থেকে নিয়ে এসে ময়মনসিংহ আদালতে তোলা হয়। পরে বিচারক তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জুন মাসে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে দেশের বৃহত্তম ৮১ ফুট উচ্চতার ‘রামমূর্তি’ স্থাপনের ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় আসেন হরিদাস। তবে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে জুনের শেষভাগে এই মূর্তি নির্মাণকাজ স্থগিতের ঘোষণা দেয় স্থানীয় ‘শ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দির’ কমিটি।
এদিকে গত ১২ জুলাই রাতে সিআইডি অর্থ পাচার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে। তার ব্যাংক হিসাবে ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকার বেশি সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। ৪ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ১৬ জুলাই কারাগারে পাঠানো হয়।
